Together, We Remember

রানা প্লাজা
আর নয়

একসাথে, আমরা স্মরণ করি

আপনার বার্তা

রানা প্লাজার জন্য স্মরণ বার্তা​

একসাথে রানা প্লাজার কথা স্মরণ

পোশাক শ্রমিকরা যেন আর রানা প্লাজার মতো দুর্যোগের সম্মুখীন না হয় তা নিশ্চিত করা

পলি আক্তারের মা শাহানা (৩৮) তার জন্য শোকাহত। তার অপর মেয়ে ডালিয়াও কারখানা কমপ্লেক্সে কাজ করলেও ধসের দিন কাজে যায়নি। সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ। 1লা জুন 2013. ফটো ক্রেডিট: তসলিমা আক্তার।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিলরানা প্লাজা ভবনটি সহস্রাধিক মানুষকে নিয়ে ধ্বসে পড়ে। কমপক্ষে ১,১৩ জন মারা যায় এবং আরও সহস্রাধিক মানুষ আহত হয়। এটি পোশাক শিল্পের দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ শিল্প বিপর্যয় এবং যা ছিল পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য। ভবনটি অনিরাপদ জেনেওশ্রমিকরা সেদিন তাদের মজুরি হারানোর হুমকির মুখে ভেতরে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়েছিল । আমরা কখনই এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের কথা ভুলতে পারি নাএবং ভুলতে পারি না তাদেরকেযাদের জীবন এর দ্বারা শেষ হয়ে গিয়েছে ও জীবিত থেকেও যাদের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।  আমরা বিশ্বকে দেখাতে চাই যে তারা ভোলার নয়।আপনাদের বার্তাগুলি প্রচারের মাধ্যমেআমরা রানা প্লাজার স্মৃতি এখানে স্মরণ করছি।

নিখোঁজ শ্রমিক রিনার (১৮) মা এখনও ব্যারিকেডের সামনে তার নিখোঁজ মেয়ের জন্য অপেক্ষা করছেন। ব্যারিকেডের ওপারে ধ্বংসাবশেষ। সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ। 24শে জুলাই 2013. ফটো ক্রেডিট: তসলিমা আক্তার।

রানা প্লাজার মতো দুঃখজনক ঘটনা আর যেন না ঘটে, আমরা সেটা নিশ্চিত করতে চাই । রানা প্লাজা ধ্বসের পর, এর পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধের উপলব্ধি থেকেই ‘বাংলাদেশে অগ্নি ও বিল্ডিং নিরাপত্তা চুক্তি (একর্ড) এর সৃষ্টি হয়। ২০০ টিরও বেশি ব্র্যান্ড, বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির অধীনে, ইউনিয়নগুলি ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জন্য আদালতে মামলা করতে পারে। এই কর্মসূচির আওতায়, ১৬০০ টিরও বেশি কারখানাকে ২০ লক্ষ শ্রমিকের জন্য অধিকতর নিরাপদ করে তোলা হয়। অন্যান্য দেশে সম্প্রসারণের অনুমতির জন্য বাংলাদেশের কাজের উপর ভিত্তি করে অনেক স্টেকহোল্ডারদের কাছে দীর্ঘ এবং কঠোর প্রচারণা চালানো হয়েছে যার ফলে নতুন আন্তর্জাতিক একর্ড স্বাক্ষরিত হয়েছে, এবং এই বছরে পাকিস্তানে কার্যক্রম শুরুর হয়েছে। এখন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন সমস্ত ব্র্যান্ড এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং এই প্রোগ্রামটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে শেষ হলে যেন একটি নতুন এবং সমানভাবে শক্তিশালী চুক্তি তার জায়গায় আসে।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিলরানা প্লাজা ভবনটি সহস্রাধিক মানুষকে নিয়ে ধ্বসে পড়ে। কমপক্ষে ১,১৩ জন মারা যায় এবং আরও সহস্রাধিক মানুষ আহত হয়। এটি পোশাক শিল্পের দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ শিল্প বিপর্যয় এবং যা ছিল পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য। ভবনটি অনিরাপদ জেনেওশ্রমিকরা সেদিন তাদের মজুরি হারানোর হুমকির মুখে ভেতরে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়েছিল । আমরা কখনই এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের কথা ভুলতে পারি নাএবং ভুলতে পারি না তাদেরকেযাদের জীবন এর দ্বারা শেষ হয়ে গিয়েছে ও জীবিত থেকেও যাদের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।  আমরা বিশ্বকে দেখাতে চাই যে তারা ভোলার নয়।আপনাদের বার্তাগুলি প্রচারের মাধ্যমেআমরা রানা প্লাজার স্মৃতি এখানে স্মরণ করছি।

পলি আক্তারের মা শাহানা (৩৮) তার জন্য শোকাহত। তার অপর মেয়ে ডালিয়াও কারখানা কমপ্লেক্সে কাজ করলেও ধসের দিন কাজে যায়নি। সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ। 1লা জুন 2013. ফটো ক্রেডিট: তসলিমা আক্তার।

নিখোঁজ শ্রমিক রিনার (১৮) মা এখনও ব্যারিকেডের সামনে তার নিখোঁজ মেয়ের জন্য অপেক্ষা করছেন। ব্যারিকেডের ওপারে ধ্বংসাবশেষ। সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ। 24শে জুলাই 2013. ফটো ক্রেডিট: তসলিমা আক্তার।

রানা প্লাজার মতো দুঃখজনক ঘটনা আর যেন না ঘটে, আমরা সেটা নিশ্চিত করতে চাই । রানা প্লাজা ধ্বসের পর, এর পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধের উপলব্ধি থেকেই ‘বাংলাদেশে অগ্নি ও বিল্ডিং নিরাপত্তা চুক্তি (এ্যাকোর্ড) এর সৃষ্টি হয়। ২০০ টিরও বেশি ব্র্যান্ড, বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির অধীনে, ইউনিয়নগুলি ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জন্য আদালতে মামলা করতে পারে। এই কর্মসূচির আওতায়, ১৬০০ টিরও বেশি কারখানাকে ২০ লক্ষ শ্রমিকের জন্য অধিকতর নিরাপদ করে তোলা হয়। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের দীর্ঘ এবং কঠোর প্রচারণার পর একটি নতুন আন্তর্জাতিক অ্যাকর্ড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের অগ্রগতি সংরক্ষণ করতে এবং অন্যান্য দেশে অ্যাকর্ড সম্প্রসারণের অনুমতি দেয়। এখন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন সমস্ত ব্র্যান্ড এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

ঘটনার সময়রেখা

রানা প্লাজা ধস ছিল বাংলাদেশের পোশাক খাত এবং বিশ্বের পোশাকশিল্পে একটি টার্নিং পয়েন্ট যদিও অনেক উন্নয়ন ইতিমধ্যেই অনেক বছর আগে থেকে শুরু হয়েছে, এবং যার সব পরিবর্তনই শুধু ভাল নয় আরও জানতে আমাদের টাইমলাইন

Rana Plaza collapse

On 23 April 2013 large structural cracks were discovered in the Rana Plaza building. The shops and the bank on the lower floors immediately closed. But warnings to avoid using the building were ignored by the garment factory owners of 5 factories on the upper floors. Garment workers were ordered to return to work the following day. If there would have been unions in these factories which could have collectively voiced the right to refuse unsafe work, or if workers would not have been earning poverty wages, they might not have entered the factory under threat of losing one month of wages. Poverty wages, lack of freedom of association and in some cases actual violence meant workers felt forced to enter an unsafe building. The building collapsed just an hour later, killing 1,138 people. The incident could have been entirely avoidable.

First brands sign the Bangladesh Accord

Over 30 brands, including the previous signatories PVH and Tchibo and new major sign ons like H&M, Inditex, C&A, Primark, and Benetton, signed what was now called the Accord on Fire and Building Safety in Bangladesh. This groundbreaking binding agreement, in which unions have 50% of the say and can hold brands legally accountable if they don’t live up to their promises, went into effect immediately. Eventually, over 220 brands would sign on to this initial 5-year programme which would be renewed in 2018, making more than 1600 factories in Bangladesh safer for over 2.5 million workers. Read more about the history of how the Accord came about.

30 million USD collected to fill Rana Plaza trust fund

After over two years of campaigning in June 2015 finally the 30 million USD needed to compensate the Rana Plaza families had come together. Between March 2014 and October 2015, the Rana Plaza Arrangement distributed these 30 million USD directly to the Rana Plaza families, with a further 1 million USD paid to cover ongoing medical costs.

Timeline of events

The Rana Plaza collapse was a turning point in the Bangladeshi garment sector and the global world of apparel. Many developments, however, already started many years earlier, and not everything that changed was for the better. Check out our timeline to find out more.

April 24, 2013

Rana Plaza collapse

On 23 April 2013 large structural cracks were discovered in the Rana Plaza building. The shops and the bank on the lower floors immediately closed. But warnings to avoid using the building were ignored by the garment factory owners of 5 factories on the upper floors. Garment workers were ordered to return to work the following day. If there would have been unions in these factories which could have collectively voiced the right to refuse unsafe work, or if workers would not have been earning poverty wages, they might not have entered the factory under threat of losing one month of wages. Poverty wages, lack of freedom of association and in some cases actual violence meant workers felt forced to enter an unsafe building. The building collapsed just an hour later, killing 1,138 people. The incident could have been entirely avoidable.

Rana Plaza collapse

On 23 April 2013 large structural cracks were discovered in the Rana Plaza building. The shops and the bank on the lower floors immediately closed. But warnings to avoid using the building were ignored by the garment factory owners of 5 factories on the upper floors. Garment workers were ordered to return to work the following day. If there would have been unions in these factories which could have collectively voiced the right to refuse unsafe work, or if workers would not have been earning poverty wages, they might not have entered the factory under threat of losing one month of wages. Poverty wages, lack of freedom of association and in some cases actual violence meant workers felt forced to enter an unsafe building. The building collapsed just an hour later, killing 1,138 people. The incident could have been entirely avoidable.

May 15, 2013

First brands sign the Bangladesh Accord

Over 30 brands, including the previous signatories PVH and Tchibo and new major sign ons like H&M, Inditex, C&A, Primark, and Benetton, signed what was now called the Accord on Fire and Building Safety in Bangladesh. This groundbreaking binding agreement, in which unions have 50% of the say and can hold brands legally accountable if they don’t live up to their promises, went into effect immediately. Eventually, over 220 brands would sign on to this initial 5-year programme which would be renewed in 2018, making more than 1600 factories in Bangladesh safer for over 2.5 million workers. Read more about the history of how the Accord came about.

First brands sign the Bangladesh Accord

Over 30 brands, including the previous signatories PVH and Tchibo and new major sign ons like H&M, Inditex, C&A, Primark, and Benetton, signed what was now called the Accord on Fire and Building Safety in Bangladesh. This groundbreaking binding agreement, in which unions have 50% of the say and can hold brands legally accountable if they don’t live up to their promises, went into effect immediately. Eventually, over 220 brands would sign on to this initial 5-year programme which would be renewed in 2018, making more than 1600 factories in Bangladesh safer for over 2.5 million workers. Read more about the history of how the Accord came about.

June 1, 2015

30 million USD collected to fill Rana Plaza trust fund

After over two years of campaigning in June 2015 finally the 30 million USD needed to compensate the Rana Plaza families had come together. Between March 2014 and October 2015, the Rana Plaza Arrangement distributed these 30 million USD directly to the Rana Plaza families, with a further 1 million USD paid to cover ongoing medical costs.

30 million USD collected to fill Rana Plaza trust fund

After over two years of campaigning in June 2015 finally the 30 million USD needed to compensate the Rana Plaza families had come together. Between March 2014 and October 2015, the Rana Plaza Arrangement distributed these 30 million USD directly to the Rana Plaza families, with a further 1 million USD paid to cover ongoing medical costs.

লজ্জার প্রাচীর

যেসব ব্র্যান্ড তাদের কর্মীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে না

স্মারক স্লাইডশো

বাংলাদেশ একর্ড কি?

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের পর শ্রমিকদের জন্য কারখানাগুলোকে অধিকতর নিরাপদ করার জন্য গ্লোবাল ট্রেড ইউনিয়নসমূহ ও ব্যান্ডগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তা সম্পর্কিত আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি (“বাংলাদেশ একর্ড”) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আন্তর্জাতিক একর্ডে তার সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে অন্তত অন্য একটি দেশে প্রসারিত করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তান একর্ড প্রোগ্রাম ঘোষণা করা হয়েছিল।

আরও জানুন

বাংলাদেশ এ্যাকোর্ড সম্পর্কে আরো তথ্য 

ছবি সম্পর্কে